হেমন্তকাল

টপিক টি তৈরি করা হয়েছে 2 weeks ago
35বার দেখা হয়েছে

ছয়টি ঋতুর মধ্যে হেমন্তকাল হলো অন্যতম । হেমন্তকাল কে ঋতু রানী বলা হয়।  কার্তিক এবং অগ্রহায়ণ এই দুই মাস হেমন্তকাল।  এই সময় দিনের তুলনায় রাত অনেক বড়ো থাকে। এই ঋতুতে শীতের আগমনের বার্তা পাওয়া যায়।  হিমেল হাওয়ায় আকাশে বাতাসে একটা ঠান্ডার শিহরণ জাগায় । এই সময় আকাশ অনেক পরিষ্কার থাকে ৷ মাঠে মাঠে ধান কাটার উৎসব শুরু হয়। বাঙালির ঘরে ঘরে নবান্ন উৎসব পালিত হয়। 

সম্পাদনা করুন

হেমন্ত কালে কি কি ফুল ফোটে ?

হেমন্তকাল  একটি অফুরন্ত সৌন্দর্যের ঋতু, হেমন্তকালে ফোটে নানা রকম বাহারি রঙের ফুল।  হেমন্ত কালে যে সকল ফুল ফোটে তার একটা তালিকা চাই। 
  • হেমন্ত এমনই এক ঋতু যার  সৌন্দর্য মোহিত করে। চতুর্দিকে বিরাজ করে স্নিগ্ধতা যার মোহ কাটিয়ে ওঠা কঠিন।   আর তাইতো এই হেমন্ত কাল আমাদের সকলের মনে গেঁথে আছে।  হেমন্ত ফোঁটা প্রতিটি ফুল এত সুন্দর করে ফুতা যা দেখে আমরা মুগ্ধ হই। সাদা লাল, নীল, কমলা, হালকা লাল কিংবা রানী গোলাপি নানা রঙের ফুল গুলো দেখতে ভীষণ  সুন্দর। 


    হেমন্ত কালে যে সকল ফুল ফোটে তার মধ্যে অন্যতম 

    • শিউলি ফুল
    • দুপুরমণি ফুল
    • দোলনচাঁপা ফুল
    • কামিনী ফুল
    • গন্ধরাজ ফুল
    • মল্লিকা ফুল
    • ছাতিম ফুল
    • দেবকাঞ্চন ফুল
    • হিমঝুরি ফুল
    • রাজঅশোক ফুল


    শিউলি ফুল

    শিউলি ফুলকে বলা হয় 'রাত্রির রাণী'। রাতে ফুল ফোটে, সুগন্ধ ছড়ায় এবং ভোরবেলা ঝড়ের মধ্যে পড়ে। শিউলি ফুলের সৌন্দর্য ও মিষ্টি গন্ধে ভরে ওঠে বাগান, খোলা জায়গা ও ঘরবাড়ি।


    দুপুরমণি ফুল

    দুপুরমণি ফুল এক অবর্ণনীয় সুন্দর অরুণ রঙের ফুল। উদ্ভিদের আদি নিবাস দক্ষিণ এশিয়া; পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এটি বর্ষা মৌসুমের ফুল। একক লম্বা গাছ। ডালপালা কম। মুখটা রুক্ষ। পাতাগুলি লম্বা, প্রান্তগুলি ঝাঁকুনিযুক্ত এবং আগা সরু। ফুল 2 সেমি চওড়া। পাঁচটি সমতল পাপড়ি, সিঁদুর লাল, কখনও কখনও হালকা গোলাপী বা সাদা। কোনো গন্ধ নেই। পাপড়ি বরাবর পাতলা ফিতার মতো কয়েকটি সংযোজন ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।



  • হেমন্ত ঋতু আসার সাথে সাথে বদলে যায় বাংলাদেশের প্রকৃতি ও জীবন। কার্তিক-অগ্রহায়ণ বাংলাদেশে এই দুই মাস হেমন্ত । হেমন্ত ঋতু একটি চমৎকার ঋতু কাল। এই ঋতু মানুষকে হাসায় এবং কাদায়। 


    এই ঋতু কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য আছে. সকালের শিশির ভেজা ঘাসে বেজে ওঠে হালকা কুয়াশাচ্ছন্ন প্রকৃতি শীতের বার্তা। মাঠের পাকা সোনালি ধান, কৃষকের ধান ঘরে আনার দৃশ্য, কৃষকের আনন্দ সবই শীতের দৃশ্যের অংশ। বৈচিত্র্যের আড়ালে প্রকৃতিতে বিরাজ করছে শীত। শীতকালে গ্রীষ্ম ও শীতকালীন খেলাধুলা হয়। একটি অনুভূতি মাসিক চক্রের শুরুতে এবং অন্যটি মাসিক চক্রের শেষে। সকালের আকাশে হালকা কুয়াশা, শিশিরে ভেজা মাঠ, তারপর ধীরে ধীরে আবহাওয়া গরম হতে শুরু করে। সৌন্দর্য ও বৈশিষ্ট্য লালিমা বাংলার শীত ঋতুর রাণী।

     

    কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে এই মৌসুমে ধানই প্রধান ফসল। সারা বছরের জন্য মহাজনদের কাছ থেকে ধার করা ঋণ ফসল কাটার পরেই পরিশোধ করা হয়। সারা বছরের খাবারের যোগানও আসে এ সময়। শীতকাল সুখ ও সমৃদ্ধির সময়। তাই অন্য সময়ের তুলনায় দেশের মানুষের মুখে একটু বেশিই হাসি ফোটে কার্তিক নাভান্না।

     

     হেমন্ত এলেই বদলে যায় প্রকৃতি ও মানুষ। গ্রামের পরিবেশে আনন্দ বিরাজ করছে। গ্রামের মেলা, ঘরে ঘরে কেক-পায়ে সাজানো, গরুর আওয়াজ হেমন্ত কালে এক বিশেষ চরিত্র নেয়। দেশে বিভিন্ন ধরনের ফুল রয়েছে। সকালের শিশির ভেজা ঘাস আর হালকা কুয়াশায় প্রকৃতি প্রস্তুত, খেজুরের রস সংগ্রহের জন্য গাছগুলো প্রস্তুত, গাছগুলোও নতুন আলু তুলতে শুরু করেছে।


    ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলায় বাংলার প্রকৃতি ও জীবন। বঙ্গাব্দ বর্ষপঞ্জি অনুসারে বর্তমানে কার্তিক মাস চলছে। কার্তিক-অগ্রহায়ণ এ দুই মাস বাংলাদেশে হেমন্তকাল। এক অপরূপ রূপের ঋতু হেমন্ত। যে ঋতুর সঙ্গে মানুষের হাসি-কান্না জড়িয়ে আছে।

     

    এ ঋতুর রয়েছে নানা রকম বৈশিষ্ট্য। সকালের শিশির  ভেজা ঘাস আর হালকা কুয়াশায় প্রকৃতিতে বেজে ওঠে শীতের আগমনী বার্তা। মাঠের পাকা সোনালি ধান, কৃষকের ধান ঘরে তোলার দৃশ্য,কৃষক-কৃষাণির আনন্দ সবই  হেমন্তের রূপের অণুষঙ্গ। বৈচিত্র্য রূপের সাজে প্রকৃতিতে  হেমন্ত বিরাজ করে। হেমন্ত ঋতুতে চলে শীত-গরমের  খেলা। হেমন্তের শুরুর দিকে এক অনুভূতি আর শেষ  হেমন্তে অন্য অনুভূতি। ভোরের আকাশে হালকা কুয়াশা, শিশিরে ভেজা মাঠ-ঘাট তারপর ক্রমেই ধরণী উত্তপ্ত হতে থাকে। সৌন্দর্য এবং বৈশিষ্ট্য লালিমায় বাংলার ঋতুর রানী  হেমন্ত।


    কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে এ ঋতুতেই প্রধান ফসল ধান ঘরে ওঠে। সারা বছরের মহাজনের কাছ থেকে ধার নেওয়া পাওনা পরিশোধের সুযোগ হয় ফসল ঘরে ওঠার পরেই। সারা বছরের মুখের অন্নেরজোগানও আসে এ সময়। হেমন্ত তাই সুখ-সমৃদ্ধির কাল। তাই মুখের হাসিটা অন্য সময়ের  চেয়ে একটু বেশিই থাকে কার্তিকের নবান্নের দেশের মানুষের।