থাইরয়েড

টপিক টি তৈরি করা হয়েছে one year ago
579বার দেখা হয়েছে
বিবরণ যোগ করুন
  • দই, চিজ, বাদাম, ডিম, মাছ, মাংস, ডাল রাখুন

  • দই

  • থাইরয়েড কে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পালং শাক খুবই উপকারী। নারকেল তেল খেতে পারেন এটি থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি পূরণ করে। স্যামন মাছ থাইরয়েড স্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখতে বেশ ভালো খাবার। আর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকার কারণে স্যামন মাছ অনেক উপকারী। ডিম তিনটি পুষ্টির খুব ভালো উৎস—টাইরোসিন, আয়োডিন ও সেলেনিয়াম। এগুলোর অভাবে থাইরয়েডে সমস্যা হয়। ডিম খেলে থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যক্রম ভালোভাবে হয়।

  • আমাদের গলার সামনের দিকে প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থিটির নাম থাইরয়েড। মানুষের বৃদ্ধি, বিকাশ, শারীরবৃত্তিক আর বিপাকীয় নানা ক্রিয়া-প্রক্রিয়া সাধন করার জন্য এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরয়েড হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  • থাইরয়েড মূলত আয়োডিনের অভাবে ও ত্রুটিপূর্ণভাবে জন্মগ্রহণ করলে হয়ে
    থাকে।এবং বামনত্ব রোগ বরণ করে, মানসিক শারিরীক বিকাশ ঘটেনা। দ্বিতীয় কারণ হলো জেনেটিক অর্থাৎ যদি মা, বাবা, দাদার থাকে অথবা পূর্বপুরুষের থাকে সেই ক্ষেত্রে জেনেটিক লিংকে থাইরয়েডের সমস্যা হতে পারে।

  • যেকোন রোগের মতো; থাইরয়েডের চিকিৎসাও সম্ভব। থাইরয়েডের চিকিৎসা ওষুধ, সার্জারি ইত্যাদির মাধ্যমে করা হয়।

  • যদি গর্ভবতী অবস্থায় থাইরয়েড হয় এটার অনেক ওষুধ আছে প্রসবের আগ পর্যন্ত মাকে ওষুধ দেওয়া হয়। তার পরে মাকে অস্ত্রোপচার বা রেডিওথেরাপির জন্য নেওয়া যেতে পারে।এটার মূলত কোন প্রকৃত চিকিৎসা নেই। এটার ওষুধ খেয়ে যেতে হয়।

  • থাইরয়েড হরমোনের তারতম্যের ফলে শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি, হঠাৎ করে শরীর মোটা ও চিকন হওয়া, মাসিকের বিভিন্ন সমস্যা, ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা, হার্টের সমস্যা, চোখ ভয়ংকর আকারে বড় হয়ে যাওয়া, বন্ধ্যত্ব, এমনকি ক্যান্সারের সৃষ্টি হতে পারে।নারীদের মধ্যে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতিজনিত সমস্যার হার অনেক বেশি। মুটিয়ে যাওয়া, অবসাদ ও ক্লান্তি, চুল পড়া, ত্বক খসখসে হয়ে পড়া, পা ও মুখ ফোলা, মাসিকের জটিলতা, বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভপাত, কোষ্ঠকাঠিন্য, শীত শীত ভাব ইত্যাদি নানা উপসর্গ দেখা।

  • থাইরয়েড বেড়ে গেলে শরীর হঠাৎ করে মোটা ও চিকন হওয়া, মাসিকের সমস্য, চোখের সমস্যা, হার্টের ও ত্বকের সমস্য, এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে । এছাড়াও থাইরয়েড গ্রন্থি তে টিউমার হতে পারে। যেটাকে নিউডল বলা হয়। নারীদের মধ্যে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতিজনিত সমস্যার হার অনেক বেশি। মুটিয়ে যাওয়া, অবসাদ ও ক্লান্তি, চুল পড়া, ত্বক খসখসে হয়ে পড়া, পা ও মুখ ফোলা, মাসিকের জটিলতা, বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভপাত, কোষ্ঠকাঠিন্য, শীত শীত ভাব ইত্যাদি নানা উপসর্গ দেখা যায়।

  • শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি, হঠাৎ করে শরীর মোটা ও চিকন হওয়া, মাসিকের বিভিন্ন সমস্যা, ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা, হার্টের সমস্যা, চোখ ভয়ংকর আকারে বড় হয়ে যাওয়া, বন্ধ্যত্ব, এমনকি ক্যান্সারের সৃষ্টি হয়

  • হঠাৎ করেই শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়

  • ওজন অতি দ্রুত হ্রাস পাওয়া বা বেড়ে যাওয়া থাইরয়েডের লক্ষণ সমূহ হতে পারে। মাথার স্কাল্প ফাঁকা হয়ে যাওয়া অতিরিক্ত চুল পড়া, মুখে লোম গজানো, শরীরের ক্লান্তি ভালো না লাগা, ঘুম ঘুম ভাব, হাত পা ফোলা অপ্রত্যাশিত সময়ে ঘামানো হাইপারঅ্যাকটিভ থাইরয়েডের একটি কমন উপসর্গ হচ্ছে, পরিশ্রম না করেও অত্যধিক ঘামানো। অনিয়মিত পিরিয়ড পিরিয়ড ঘন হলে, দীর্ঘদিন থাকলে অথবা খুব কাছাকাছি সময়ে দুই বা তার অধিক বার পিরিয়ড হলে বোঝা যেতে পারে যে, থাইরয়েড যথেষ্ট হরমোন উৎপাদন করছে না।

  • সয়াবিন
    ব্রকোলি
    ফুলকপি
    মিষ্টি খাবার
    মাখন
    ভাজা জিনিস
    ফাস্ট ফুড
    পাউরুটি
    পাস্তা
    ভাতে থাকা গ্লুটেন
    প্রসেস করা প্যাকেট করা খাবার
    ফ্রোজেন ফুড
    বিনস
    ডাল
    কফি
    অ্যালকোহল
    কোল্ডড্রিঙ্কস